দেশজুড়ে

একাদশে ভর্তিতে পছন্দের কলেজ পায়নি ৯৭ হাজার শিক্ষার্থী

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্কঃ একাদশে শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম দফায় আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে সারা দেশে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন পছন্দের কলেজ পেলেও ৯৭ হাজার ৮১০ জন ভর্তিচ্ছু তাদের পছন্দের কলেজ পাননি।

রবিবার (৯ জুন) দিবাগত রাতে সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখতে পাচ্ছেন।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সারাদেশে মোট ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করেন। তার মধ্যে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।

প্রায় ৯৭ হাজার পছন্দের কলেজ বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ জন। এদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ১ হাজার ৮৪৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমতো কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না। পরের অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। মোট ১৪ হাজার ৫৩০ জন বঞ্চিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ১ হাজার ২৪৩ জন। তার পরের অবস্থানে কুমিল্লা বোর্ডে ৮ হাজার ৬৯৩, এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোনো কলেজে মনোনীত হননি। একইভাবে সকল শিক্ষা বোর্ডেই ভর্তি বঞ্চিতের সংখ্যা রয়েছে।

আবেদনকারীরা রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের বছর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তিনি কোন কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন তা জানতে পারবেন। মোবাইলের মাধ্যমেও একাদশে ভর্তিচ্ছুদের ফল জানানো হবে। ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাওয়া কলেজের নাম সোমবার (১০ জুন) মধ্যরাতের পর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুদের জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রথম দফায় মনোনীতদের ১১ জুন থেকে ১৮ জুনের মধ্যে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে টেলিটক বা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট ও শিওর ক্যাশের মাধ্যমে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় ভর্তি নিশ্চিত করতে না পারলে মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে।

প্রথম ধাপে যে সকল শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য মনোনীত হননি তারা দ্বিতীয় ধাপে আবারো আবেদন করার সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সারা দেশে পর্যাপ্ত আসন রয়েছে, কেউ এক ধাপে ব্যর্থ হলে পরের ধাপে আবেদন করতে পারবে। তবে শীর্ষমানের কলেজগুলোতে আসন পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেকে ভালো ফল করেও সেসব কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে না।

Related Articles

Leave a Reply

Close
Close