সাক্ষাৎকার

‘নোলক’ দেখে দর্শক হতাশ হবেন না: ববি

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্কঃ ঈদে মুক্তি পাচ্ছে চিত্রনায়িকা ববির অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র ‘নোলক’। প্রযোজক ও পরিচালক সাকিব সনেটের এই চলচ্চিত্র নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে।

->‘নোলক’ কতগুলো সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে?

এখন পর্যন্ত ৭০টি সিনেমা হলে মুক্তি নিশ্চিত হয়েছে। হলসংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আপনি নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, প্রতিটি ভালো চলচ্চিত্র মুক্তির পর হলসংখ্যা বাড়ে। আমি আশাবাদী, দর্শক এই চলচ্চিত্র দেখার জন্য সিনেমা হলে লাইন দিয়ে টিকিট কাটবেন এবং হল মালিকরা লাভবান হবেন।

->এতটা আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পেছনে নিশ্চয় কোনো কারণ আছে?

অবশ্যই আছে। ঈদ আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় উৎসব। আর উৎসবে দর্শক পরিবার-পরিজন নিয়ে চলচ্চিত্র দেখতে পছন্দ করেন। ‘নোলক’ সেই চলচ্চিত্র, যা পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে বিনোদিত করবে। এ চলচ্চিত্রে হাসি-কান্না, প্রেম-বিরহ সবই আছে। এক কথায়, ‘নোলক’ উৎসবেরই চলচ্চিত্র। তাই এটি ঈদে মুক্তি পাচ্ছে।

->চলচ্চিত্রটি কি প্রচারের দিক থেকে পিছিয়ে আছে বলে মনে করেন?

না। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি। ছবিতে আমার বিপরীতে আছেন শাকিব খান। তার প্রযোজিত ‘পাসওয়ার্ড’ নামে আরও একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পাচ্ছে এই ঈদে। তিনি সেই চলচ্চিত্রের প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত। তবে নোলক চলচ্চিত্রে আরও যারা অভিনয় করেছেন, যেমন ওমর সানী, মৌসুমী, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, শহীদুল আলম সাচ্চু, রেবেকা রউফ তারা সবাই কিন্তু যে যার জায়গা থেকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এমনকি এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত না হয়েও যেমন জয়া আহসান, সিয়াম আহমেদ, ফজলুর রহমান বাবু, রোশান, সাইমন সাদিক, চয়নিকা চৌধুরী তারাও নোলকের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে সবাইকে চলচ্চিত্রটি দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।

->আপনি নিশ্চয় সিনেমা হলে গিয়ে দর্শকের সঙ্গে চলচ্চিত্রটি দেখবেন?

নিশ্চই। আমি ঈদের দিন থেকেই বিভিন্ন সিনেমা হলে গিয়ে দর্শক সারিতে বসে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করব। তবে কখন কোন সিনেমা হলে যাব, সেটা এখনো ঠিক হয়নি। ঢাকায় যতগুলো সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে, তার প্রতিটিতেই যাওয়ার ইচ্ছা আছে। এর পর ঢাকার বাইরেও যাব।

->আপনি শুরুতেই বলেছেন দর্শক যে ধরনের চলচ্চিত্র দেখতে চান, নোলক সেই ধরনেরই চলচ্চিত্র। আমাদের দেশের দর্শক কী ধরনের চলচ্চিত্র পছন্দ করেন বলে আপনার ধারণা?

প্রথমে দর্শক চান একটি তারকাবহুল চলচ্চিত্র দেখতে, যা নোলকে আছে। এখানে শাকিব-ববি জুটি আছে। আছেন ওমর সানী-মৌসুমী। তার পর দর্শক চান একটি মসলাদার চলচ্চিত্র। মানে দর্শক হলে বসে বোর হতে চান না। এদিক থেকে নোলক অবশ্যই সেরা চয়েজ হবে বলে আমি কথা দিচ্ছি। কথা দিচ্ছি, নোলক দেখে দর্শক হতাশ হবেন না। তার পর দর্শকের আগ্রহ থাকে সুন্দর একটি গল্পে। আমি আগেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছি নোলক বাংলাদেশের ছবি, মৌলিক গল্পের ছবি, বড় বাজেটের ছবি। এখনো বলছি, নোলেকের গল্প মৌলিক। সুন্দর একটি গল্পে দর্শক চলচ্চিত্রটি দেখা শুরু করবেন এবং শেষ পর্যন্ত সুন্দর গল্পেই শেষ করবেন।

/আরএম

Related Articles

Leave a Reply

Close
Close