বিনোদন

খুব অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন সালমান খান

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক: অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন সালমান খান। সালমানকে গুলি করে হত্যার জন্য তাঁর বাসার সামনে একজন দক্ষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্যুটারকে (শার্পশ্যুটার) নিযুক্ত করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল খুবই আধুনিক ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র। যেটা একটা হকি স্টিকের ব্যাগে বহন করছিলেন ঘাতক।

ঘাতক সালমানের খুব কাছে গিয়েও শেষ মুহূর্তে সুযোগ হাতছাড়া করেন। ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস নেটওয়ার্ক এ খবর জানিয়েছে।
কয়েক দিন আগেই বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে খুনের হুমকি দিয়ে এসেছিল বেনামি চিঠি। জনপ্রিয় শিল্পী সিধু মুসওয়ালাকে খুনের পর এমন চিঠি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় মুম্বাই পুলিশ। অবশেষে সালমানকে দেওয়া সেই চিঠির রহস্য উন্মোচন হয়।

জানা গেছে, ঘাতক সালমান খানের ইঞ্চিখানেকের মধ্যে এসেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে পড়েন ঘাতক শার্পশ্যুটার।

লরেন্স বিষ্ণোই আর তার সহযোগীরা সালমানকে পর্যবেক্ষণ করে যাচাই করে জানতে পারেন, তিনি সকালে সাইক্লিং করেন। পরিকল্পনা করা হয়, সে সময়ই তাকে গুলি করে হত্যা করা হবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সেই দিন সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় একজন পুলিশ সহযোগী দেওয়া হয় সালমানকে। আর এতে করে ষড়যন্ত্র ভেস্তে যায়।

টাইমস নেটওয়ার্কের খবরে বলা হচ্ছে, সালমান খান শুধু একটা ঝাঁকুনির কারণে বেঁচে যান।

মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের তৎপরতায় সালমান খানকে খুনের হুমকি দেওয়া কেসের তদন্ত যেন খুবই দ্রুত এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি দল পৌঁছেছে দিল্লিতে, সেখানে পৌঁছেই লরেন্স বিষ্ণোই এর দলকে জিজ্ঞাসা বাদ করেছে তারা।

আর সেই জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে নতুন কিছু তথ্য। জানা গেছে, লরেন্সের গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে সালমানকে সেই হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিক্রম ব্রারের নির্দেশেই নাকি এই হুমকি দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ।

বিক্রম এখন রয়েছেন কানাডায়। তার কথামতোই বেনামি হুমকির চিঠি নিয়ে গত ৫ জুন তিনজন মুম্বাইয়ে এসেছিলেন। তারা সবাই মুম্বাই এসে সৌরভ মহাকালের সঙ্গে দেখা করেন বলে জানায় পুলিশ। এই সৌরভকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

মুম্বাই পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযুক্ত সৌরভ মহাকাল জানিয়েছে, বিষ্ণোইয়ের সহযোগী বিক্রম বারাদ চিঠিটি সেলিম খানের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। জেলে থাকা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নির্দেশে সালমান খান ও তার বাবা সেলিম খানকে এই চিঠি দিয়েছিল। তার গ্যাংয়ের তিনজন লোক রাজস্থানের জালোর থেকে মুম্বাই এসেছিল চিঠিটি দেওয়ার জন্য।

পুলিশ আরো জানিয়েছে, চিঠিটি যারা নিয়ে এসেছিল তাদের চিহ্নিত করা গেছে। শিগগির তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। তাদের শনাক্তকরণের পরপরই পুলিশের ছয়টি দলকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Close
Close