দেশজুড়ে

বিনামূল্যের বইয়ে নিন্মমানের কাগজ; বছরে ১৬০ কোটি টাকা লোপাট

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্কঃ বিনামূল্যের বইয়ে নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করে প্রতিবছর ১৬০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মামলা করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন-ক্যাব। মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে দুদককে এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

দুদকের আইনজীবী জানান, বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন তারা। ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করে আসছে সরকার।

ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাব বলছে, বইয়ে যে মানের কাগজ ব্যবহারের বিধান রয়েছে তার চেয়ে নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করে আসছে এনসিটিবি। যেটি বিএসটিআই এবং সায়েন্স ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় প্রমাণিত।

সংস্থাটির আইনজীবী জানান, এতে প্রতিবছর দেড় শতাধিক কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বিষয়টি দুদক ও এনসিটিবিকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় বাধ্য হয়েই হাইকোর্টে মামলা করেছেন তারা।

ক্যাবের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া বলেন, টেন্ডার ডকুমেন্টের নিয়ম অনুযায়ী যে মানের কাগজ দেয়া আছে, সে কাগজ ব্যতীত নিম্নমানের কাগজ দিয়ে পাঠ্যপস্তুক ছাপানো হয়েছে। সেখানে আমরা হিসাব করে দেখেছি যে বছরে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। তাই দুদককে আগামী তিন মাসের মধ্যে তদন্ত করে এ বিষয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী জানান,বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে যথাসময়ে রিপোর্ট দেয়া হবে।

দুদকের আইনজীবী বলেন, হাইকোর্টে নির্দেশনা অনুযায়ী দুদক তদন্ত করবে। এবং হাইকোর্টের দেয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওই প্রতিবেদন দুদক জমা দেবে।

বই মুদ্রণ এবং প্রস্তুতের যাবতীয় কাজ করে থাকে ন্যাশনাল কারিকুলাম এবং টেক্সবুক বোর্ড-এনসিটিবি।

/আরএম

Related Articles

Leave a Reply

Close
Close